নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: বাঙালির চিরন্তন লোকজ সংস্কৃতি ও পিঠাপুলির ঐতিহ্য ঢোড়ে রাখতে প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় আগামী ২৪ শে এপ্রিল ২০২৬ থেকে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে শুরু হতে যাচ্ছে সাত দিনব্যাপী ‘১৯তম জাতীয় পিঠা উৎসব ১৪৩৩’। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসবকে ঘিরে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
এই উৎসবকে উৎসবমুখর ও সার্থক করে তোলার লক্ষ্যে গত ১৮ই এপ্রিল বিকাল পাঁচটায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা মঞ্চের সভাকক্ষে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উৎসবের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও জাতীয় পিঠা উৎসবকে আরও আকর্ষণীয় করার লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদের আহবায়ক ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক জনাব রেজাবউদ্দৌলা চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের মহাসচিব মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, এটিএন মিডিয়া কমিউনিকেশনের সিইও সাজেদুর রহমান মুনিম, বিশিষ্ট অভিনেতা মোহাম্মদ আজিজ এবং জাতীয় পিঠা উৎসব উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব শাহ আলম। এছাড়াও নৃত্যশিল্পী নিলুফার ওয়াহিদ পাপড়ি, এটিএন এডুকেশনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রোকসানা আখতার রিনিসহ দেশের বিশিষ্ট শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক এবং উৎসবে অংশগ্রহণকারী পিঠা শিল্পীরা উপস্থিত থেকে তাদের মূল্যবান মতামত ব্যক্ত করেন।
সাত দিনব্যাপী এই উৎসবে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত থাকবে বর্ণাঢ্য আয়োজন। উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান ছাড়াও প্রতিদিন বরেণ্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে আলোচনা সভা, মনোজ্ঞ নৃত্যানুষ্ঠান, সঙ্গীতানুষ্ঠান, নাটক ও গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী পালা গানের আয়োজন থাকছে। এছাড়া উৎসব প্রাঙ্গণে বিভিন্ন স্টলে দর্শনার্থীদের জন্য থাকবে রকমারি বাংলার ঐতিহ্যের পিঠাপুলির সমাহার। বাঙালির এই প্রাণের উৎসবকে ঘিরে শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে এখন সাজ সাজ রব বিরাজ করছে।
২৪ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে ১৯তম জাতীয় পিঠা উৎসব
