এম.শাহীন আল আমীন, জামালপুর উত্তর প্রতিনিধি ॥
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার গুচ্ছ গ্রামের বাসিন্দা ওয়াজ কুরুনীর স্ত্রী মাহমুদা খাতুন বকশীগঞ্জ হাসপাতালে নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে একসাথে ৩ জন পুত্র সন্তান প্রসব করেছেন। হতদরিদ্র পরিবারটি বর্তমানে শিশু ৩টির পুষ্টিকর খাবার ও চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন।

জানা যায়, বকশীগঞ্জ উপজেলার বগারচর ইউনিয়নের বগারচর নতুন গুচ্ছ গ্রামের বাসিন্দা ওয়াজকুরুনীর স্ত্রী মাহমুদা বেগম প্রসব ব্যাথায় বকশীগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি হয়। সিনিয়র মিডওয়াই মাহমুদা সিদ্দিকা শিউলির সার্বিক তত্বাবধানে এবং ডাক্তারের সার্বিক নজর দারিত্বে ৯ নভেম্বর মাহমুদা বেগম একসাথে ৩জন পুত্র সন্তান প্রসব করেন। হতদরিদ্র মাহমুদা বেগমের প্রথম সন্তানও ছেলে। মাহমুদার স্বামী ওয়াজ কুরুনী একজন দিন মজুর। শ্রম বিক্রি করে তিনি সংসার চালান। তার বর্তমান অবস্থায় তিন জন শিশু সন্তানের খাবার ও চিকিৎসা সেবা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। অর্থের অভাবে সন্তানের চিকিৎসা ও সন্তানের মাকে পুষ্টিকর খাবারের যোগান দিতে পারছেনা। চিকিৎসকরা বলেছেন মাকে পর্যাপ্ত পরিমান পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে। মায়ের খাবার যোগান দিলেই মায়ের দুধ খেয়েই সন্তানরা বেচেঁ যাবে।

এব্যাপারে বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ রেজাউল ইসলাম জানান, মিডওয়াইফ ও ডাক্তারের সার্বিক পর্যবেক্ষনে ৩ জন সন্তানই নরমাল ডেলিভারি হয়েছে। তবে এই মহুর্তে সন্তানের মায়ের জন্য পযর্অপ্ত পরিমান পুষ্ঠিকর খাবার যোগান দেওয়া। মা পর্যাপ্ত পরিমান পুষ্টিকর খাবার না পেলে শিশু গুলো পর্যাপ্ত পুষ্টির যোগানে বিঘœ ঘটবে। মায়ের পুষ্টির বিঘœ ঘটলে শিশু ৩টির ঘাটতি হবে। মায়ের পুষ্টি নিশ্চিত করলেই শিশু ৩টি ভালো থাকবে।
এব্যাপারে বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ জহুরুল হোসেন প্রসূতির বাড়ীতে গিয়ে তার পরিবার ও ৩ সন্তানের খোঁজ খবর নিয়েছেন। তিনি প্রাথমিকভাবে তাদের সহায়তা করেন। ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে ওাি পরিবারে পুষ্টিকর খাবারের যোগান দেওয়া হবে বলে আশ^সস্ত করেন।
