১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ আগামী ১২ এপ্রিলের পর ১ সপ্তাহের মধ্যেই ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এতথ্য জানিয়েছেন।

চেয়ারম্যান বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে প্রবেশ পর্যায়ের শূন্যপদ জানতে গত ২৯ মার্চ শূন্যপদ সংগ্রহ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। যা ১২ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। এরপর আমরা আর সময় বাড়াবো না। আর ১২ এপ্রিলের পর ১ দিন সময়ও নষ্ট করতে চাই না। এরপর ১ সপ্তাহের মধ্যেই শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।

এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান আরও বলেন, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) প্রথমবারের মতো প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে সরাসরি নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করেছে। এ কার্যক্রমকে খুবই চ্যালেঞ্জিং। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অটোমেশনের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। টেলিটকের কারিগরি সহায়তায় ডাটা এন্ট্রি থেকে ফল প্রকাশ পর্যন্ত সব কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে হবে। প্রার্থীদের মোবাইলেই সিট প্ল্যান, অ্যাডমিট কার্ড ও ফলাফল পাঠানো হবে।

পরীক্ষা পদ্ধতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ৮০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষায় প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর এবং ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা হবে। এর সঙ্গে থাকবে ২০ নম্বরের ভাইভা, যেখানে ১২ নম্বর শিক্ষাগত সনদ ও ৮ নম্বর মৌখিক পরীক্ষার জন্য বরাদ্দ থাকবে।

চেয়ারম্যান আরও বলেন, প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, তবে বয়সের কোনো সীমা নেই। এ সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের নীতিমালার ভিত্তিতেই নেওয়া হয়েছে।

শূন্য পদের সংখ্যা নিয়ে তিনি বলেন, এটি সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন হতে পারে। বর্তমানে প্রায় ১১ হাজার পদের তথ্য পাওয়া গেছে, যা প্রায় ৯৫ শতাংশ নির্ভুল। তবে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে প্রার্থীদের পছন্দক্রম নেওয়ার সময়।

নিয়োগে অনিয়ম প্রসঙ্গে চেয়ারম্যান বলেন, এমসিকিউ পদ্ধতি চালুর ফলে খাতা মূল্যায়নের জটিলতা নেই এবং অনিয়মের সুযোগ প্রায় শূন্যে নেমে এসেছে। প্রশ্ন প্রণয়ন ও মডারেশন প্রক্রিয়াও সর্বোচ্চ নিরাপত্তার মধ্যে সম্পন্ন হবে।

তিনি জানান, অষ্টম ধাপের নিয়োগ কার্যক্রম আগামী জুনের মধ্যেই শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বছরে দুইবার করে শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে দীর্ঘদিন কোনো পদ শূন্য না থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *