নির্বাহী অফিসারের প্রতি ক্ষোভ জানিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইাবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে শহীদ মিনারে ’৭১ এর বীর শহীদদের বিদেহী আত্মার প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিটি নিরবতা পালন না করায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রতি ক্ষোভ জানিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে শহীদ মিনারে আসা বিএনপি’র নেতা কর্মী ও স্থানীয় সূধিজন।এ ঘটনার প্রতিবাদে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ১৬ ডিসেম্বরের সকল অনুষ্ঠান বর্জন করেছে বিএনপি।

জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার সকালে বিজয় দিবসে পৌর শহরে অবস্থিত প্রেস ক্লাব সংলগ্ন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানার নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদদের
স্মরণে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসা বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সূধিজন ফুল দেওয়ার জন্য সেখানে অপেক্ষা করলেও অজ্ঞাত কারণে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাদেরকে ফুল দেওয়ার সুযোগ না দিয়ে এবং শহীদদের বিদেহী আত্মার প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন না করেই তাড়াহুরো করে দ্রæত মোনাজাত শেষ করে ইউএনও শহীদ মিনার থেকে চলে যেতে চাইলে বিক্ষুব্ধ বিএনপি’র নেতাকর্মীরাসহ সেখানে উপস্থিত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজনের অবরোধের মুখে পড়েন।

এ সময় ইউএনওকে উদ্দেশ্য করে ‘রাজাকারের ঠিকানা- এই বাংলায় হবেনা’, ‘রাজাকারের আস্তানা জ্বালিয়ে দাও পুড়িয়ে দাও’ ‘রাজাকারের ঠিকানা- গোবিন্দগঞ্জে হবেনা’ এসব স্লোগান দেয়া হয়। কিছুক্ষণ পর ইউএনও সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনতা শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণসহ শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন শেষে মোনাজাত করে সেখান থেকে চলে যায়।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক ফারুক আহম্মেদ আমার দেশকে জানান, বর্তমান ইউএনও অতীতের সকল রেওয়াজ ভঙ্গ করে শহীদদের প্রতি নিরবতা অনুষ্ঠান পালন করেননি- ইউএনও’র এ ধরণের কর্মকান্ডের জন্য উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত আজকের বিজয় দিবসের সকল অনুষ্ঠান আমরা বর্জণ করেছি।

এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানার কাছে জানতে চেয়ে বেশ কয়েকবার সাংবাদিদের মুঠো ফোনে কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *