আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রথমবারের মতো অধিকৃত পশ্চিম তীরের দুটি অবৈধ ইসরায়েলি বসতিতে অন-সাইট বা সরাসরি উপস্থিত হয়ে কনস্যুলার সেবা প্রদান করবে। ইসরায়েলে মার্কিন দূতাবাস এটি নিশ্চিত করেছে। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
তবে ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা এর কড়া সমালোচনা করেছেন। তারা এটিকে পূর্বের নীতি ও আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে নেওয়া পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
পশ্চিম জেরুজালেমে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এনিয়ে একটি পোস্ট করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উদ্যাপনের অংশ হিসেবে একটি উদ্যোগের অধীনে তারা শুক্রবার পশ্চিম তীরের এফরাত বসতিতে আমেরিকানদের জন্য ‘শুধু এক দিনের জন্য’ নিয়মিত পাসপোর্ট সেবা প্রদান করবে।
মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, আগামী মাসগুলোতে দ্বিতীয় আরেকটি ইসরায়েলি বসতি বেইতার ইলিতের পাশাপাশি ফিলিস্তিনি শহর রামাল্লা এবং ইসরায়েলের অভ্যন্তরের তিনটি শহরেও একই ধরনের কনস্যুলার সেবা প্রদান করা হবে।
এনিয়ে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ‘উপনিবেশ ও প্রাচীর প্রতিরোধ কমিশন’ একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই উদ্যোগ ‘আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং ইসরায়েলের প্রতি নগ্ন পক্ষপাতিত্ব।’
তবে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার মার্কিন এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা জুডিয়া ও সামারিয়ার এফরাতে কনস্যুলার সেবা সম্প্রসারণে মার্কিন দূতাবাসের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই।
