মোঃ মাসুদ রানা, সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার সদর ইউনিযনের কৈজুরী গ্রামের মোঃ শহিদুল ইসলাম হাসান ২০২৩ সালে চাকরি চলে যাওয়ায় হতাশ হয়ে পরে। বিভিন্ন জাগায় চকরির খোজনিয়ে চাকরি না পেয়ে। নিজেই কিছু করবে বলে ভাবতে থাকে। কি করবে কিভাবে শুরু করবে চিন্তা করে। তখন হাতে থাকা স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে ইউটিউব দেখে।
কিভাবে একজন উদ্দোগক্তা হওয়ার যায় সেসব দারনা পেতে নিয়মিত ইউটিউব দেখে খুজতে থাকে। কয়েকটা দরনা তার ভাল লাগে। কয়টা দরনা থেকে আধুনিক হাতে মুড়ি ভাজার পদ্ধতিটা তার ভাললাগে। ইউটিউবে দেখে শেখেন মুড়ি ভাজা। এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নেন মুড়ি ভাজার কারখনা স্থাপন করবে।
একটি ঘর একটি মেশিন সেট, এক সাথে ৪ টি লেহার কড়াই বসানো বড় লাকড়ির চুলা ও কিছু জ্বালানি লাকড়ি সংগ্রহ করে মুড়ি ভাজা শুরু করেন। বিভিন্ন দূরদূরান্ত এলাকা থেকে আসে মুড়ি ভেজে নিয়ে যায়। এছাড়াও এখানে ভাজা মুড়ি বাজারজাত করেন। এবং এই কারখানা থেকে বিভন্ন এলাকা ও দূরদুরান্ত থেকে চাউল নিয়ে আসে মুড়ি ভেজে নিয়ে যায়। সে এখন এক জন সফল উদ্দোগক্তা।
শহিদুল হাসান বলেন, করুণা নয়। কর্মের মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়াতে চাই। তাই অভাব অনটন ও দরিদ্রতাকে দুর্বলতা না ভেবে বরং পুঁজি গুছিয়ে কাজ শুরু করেছি। আমার কাজের সঙ্গী আমার বাবা। পাশাপাশি আরও দু’জন কর্মচারী রয়েছে। মোট ৪ জন কাজ করি।
