দেশের সর্ববৃহৎ বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে গত দশ দিনে ভারতে মোট ৯৯ টন ৮৬ কেজি ইলিশ রপ্তানি হয়েছে।
আজ রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেন বেনাপোল বন্দর মৎস নিয়ন্ত্রণ ও মাননির্ণয় কেন্দ্রের কোয়ারেন্টিন কর্মকর্তা সজীব সাহা।।
রফতানিকরা ইলিশের প্রতি কেজির রপ্তানি মুল্য ১২ ডলার ৫০সেন্ট। যা বাংলাদেশি টাকায় ১৫২৫ টাকা।
ইলিশ রপ্তানিকারক তারেক রহমান জানান, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৫,২৯,৪৮৭ মেট্রিক টন ইলিশ উৎপাদন করেছিলেন। দেশীয় চাহিদার চেয়ে উৎপাদন অনেক কম হলেও সরকার দুর্গাপূজার সময় বিশেষ বিবেচনায় ২০১৯ সাল থেকে রফতানির অনুমতি দিয়েছে। এই বছর, বাণিজ্য মন্ত্রক ৩৭ টি কোম্পানিকে ইলিশ রপ্তানির জন্য ৩৭ টি কোম্পানির অনুমতি দিয়েছে, যা ৫ অক্টোবর শেষ হবে।
বেনাপোল আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট আমিনুল হক জানান, এতো অল্প সময়ে সব ইলিশ পাঠানো কঠিন হয়ে পড়বে। গত বছর ৭৯টি প্রতিষ্ঠানকে ২৪৫০ টনের অনুমতি দিয়েছিল। কিন্তু বেনাপোল ও আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে সব মিলিয়ে ইলিশ রপ্তানি হয়েছিল ৬৩৬ টন, এর মধ্যে বেনাপোল বন্দর দিয়ে রপ্তানি হয় ৫৩২ টন। বর্তমানে ইলিশের সরবরাহ কম ও বাড়তি দামের কারণে খুব বেশি ইলিশ রপ্তানি হবে না।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন- শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটির মধ্যেও বিশেষ ব্যবস্থায় ভারতে ইলিশ রপ্তানির সুযোগ থাকবে।
গলকাল শনিবার সব শেষ ভারতে ১২টন ৮৬ কেজি ইলিশ রপ্তানি করা হয়েছে।
