লৌহজং মুন্সীগঞ্জ থেকে/ রুবেল ইসলাম তাহমিদ,
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার গাওদিয়া ইউনিয়নের শামুর বাড়ি জোরা মসজিদ সংলগ্ন পদ্মা নদীর পাড় ঘেঁষা পুকুরে কুমিরের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গত শুক্রবার থেকে । এর পর কেটে গেছে ৪৮ ঘন্টা।
সোমবার দুপুর দিকে ঢাকা থেকে ৬ সদস্য বিশিষ্ট বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে একটি টিম আসে উদ্ধার কাজে। তবে দিন ভর চেষ্টায় ব্যর্থ হন তারা
স্থানীয় রা বলেন আমরা আজ দুপুর পদ্মা নদীতে কুমির ভাসতে দেখেছি। এলাকাবাসীর দাবি সকালে কুমির টি পদ্মা নদীতে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান।
তারপরও উদ্ধার কাজে নিয়োজিত সদস্যদের প্রথমে নদীতে ড্রোন চালিয়ে ৫ কিলোমিটার খোঁজ করেন পরে পুকুরের কচুরিপানা পরিষ্কার নিশ্চিত হোন এখানে কুমির নেই বলে নিয়োজিত সদস্যদের নিয়ে ঢাকায় ফিরেন ৬ সদস্য সংরক্ষণে টিম ।
বিভিন্ন স্থানে কুমির দেখা যাওয়ার খবরের পর স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসন মসজিদের মাইকে ঘোষণা করেন ৪৮ ঘণ্টার জন্য সতর্কতা জারি এ এলাকায় ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.নেছার উদ্দিন ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে তিনি জানান, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সতর্ক করা হয়েছে। নদীপাড়ের জনগণকে নদীতে নামা বা গোসল না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
উদ্ধার কাজে নিয়োজিত বন্যপ্রাণী পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আস সাদিক ও বন্যপ্রাণী পরিদর্শক অসিম মল্লিক বলেন কুমিরটি মিঠা পানির প্রজাতির। আমাদের দেশে বিলুপ্তপ্রায় হয়তো পাহাড়ি ঢলে পাশের দেশ থেকে চলে আসতে পারে। এ প্রজাতির কুমির মানুষকে আক্রমণ করে না। মাছ মাংস খেয়ে বেঁচে থাকে। যেহেতু আজ পুকুরে কুমিরটি পাওয়া গেল না হয়তো নদীতে ভেসে গেছে তারপরও আগামী ৪৮ ঘন্টা সতর্কতামূলক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলো। যদি কমিটি দেখতে পাওয়া যায় তাহলে আগামীকাল আবার উদ্ধার কাজ শুরু হবে।
