মুন্সীগঞ্জে সন্ধ্যা রাত থেকে কুয়াশাচ্ছন্ন দুর্ভোগে নিম্ন আয়ের মানুষ

রুবেল ইসলাম তাহমিদ, লৌহজং/ শ্রীনগর থেকে:

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে শীত শুরু হতে না হতেই কয়েকদিন যাবত সন্ধ্যা হলেই শুরু  কুয়াশা রাত যত গভীর কুয়াশা তত বাড়তে বেশি ।
টিনের চালে গাছের ডালে বৃষ্টির ন্যায় কুয়াশা পড়তে শুরু করে। ভোর রাতে কুয়াশার তীব্রতা আরো বেড়ে সূর্যোদয়ের পূর্ব পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। এছাড়া দিনে গরম রাতে কুয়াশা  ও ঠান্ডার ফলে শিশু ও বয়স্কদের ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার সংবাদ পাওয়া যাচ্ছে অনেক । বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অভিমত এ সময় শিশু ও বয়স্কদের নাতিশীতোষ্ণ পরিবেশে নিরাপদে ঘরে থাকা প্রয়োজন ।

পৌষের বাকি মাত্র ২,সপ্তাহ শীতের দাপটে সকালের দিকে কাঁপছে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং ও শ্রীনগরের উপজেলার সাধারণ মানুষ। কয়দিন যাবত  সকালে প্রচন্ড ঠান্ডা  অঞ্চলে। রাতে বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা। যেন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে পুরো এলাকা। এর সঙ্গে উত্তরের হিমেল হাওয়া শীতের মাত্রাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। তীব্র শীতে গরম কাপড়ের অভাবে বাইরে বের হতে পারছেন না বিভিন্ন জেলা থেকে কাজের জন্য আশা নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ।

পেটের তাগিদে বাহির হলেও আক্রান্ত হচ্ছেন শীতজনিত নানান রোগে।
আজ শনিবার সূত্র জানাযায়, আজকে দেশের তাপমাত্রা সাভাবিক। এছাড়া, দেশের  তোলনা মুলক তাপমাত্রা টেকনাফে।
বড়মোকাম ও শ্রীনর বাজারে কথা হয় এ উপজেলায় কাজ করতে আসা লালমনিরহাটের করিমেরর সাথে তিনি বিভিন্ন এলাকায় নারিকেল গাছ পরিস্কারের কাজ করেন৷ তিনি বলেন সকালে বাহিরে প্রচন্ড শীত তাই ঠান্ডার কারনে কাছে উঠার কাজ করতে পারছি না৷ দিনমজুর সানোয়ার বলেন, ‘কয়েক দিন থেকে শীতে বেশি থাকলেও গতকাল শুক্রবার থেকে মাত্রা অনেকটা বেড়েছে। ঠান্ডার কারনে কাজ পাইনি৷ বেশি শীত পড়েছে। শহিদুল খন্দকার বলেন রাতে বৃষ্টির মতো কুয়াশা ঝরছে। এত পরিমাণ কুয়াশা ঝরছে যে, অনেক বেলা পর্যন্ত ঠিকমতো কোনো কিছু দেখা যাচ্ছে না।
প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে না বের হওয়া এরপরও কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিজ্ঞ  চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে মোতাবেক ওষুধ খাওয়া
অতি প্রয়োজনে ঘর বের হতে হলে  শীতকালীন পোশাক পরে চলাফেরা করতে হবে। কৃষকরা জানান কুয়াশার তীব্রতা বাড়লেও তা অব্যাহত থাকলে  পোকামাকড় সৃষ্টি হয়ে রবি   সবজি ও ফসলে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এতে রবি ফলনের ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *