মাহফুজ মন্ডল :
দেশ যখন নৈতিক অবক্ষয় ও প্রশাসনিক জটিলতার গভীরে নিমজ্জিত, তখন জাতির সামনে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন ড. মুহাম্মদ ইউনুস। দীর্ঘদিন ধরে মানুষ তাঁকে দেখেছে একজন শান্ত, সোজাসাপ্টা ও মিতভাষী অর্থনীতিবিদ হিসেবে। কিন্তু এখন দেশের স্বার্থে তিনি দেখাচ্ছেন এক অনন্য দৃঢ়তা-যা একজন রাষ্ট্রনায়কের সাহসিকতাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনালের উদ্যোগে তিনি ইতোমধ্যেই একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছেন। জানা গেছে, ট্রাইবুনাল ৩০ জন ব্যক্তিকে এর আওতায় এনেছে, যাদের মধ্যে রয়েছেন ১৪ জন কর্মরত ও ১০ জন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা। ২১ অক্টোবরের মধ্যে তাঁদের ট্রাইবুনালে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে, কর্মরত সেনা কর্মকর্তাদের ওই তারিখের মধ্যেই চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এটি নিঃসন্দেহে এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত-যা দেশের সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত রাখবে আমাদের অন্যতম শ্রদ্ধার প্রতিষ্ঠানটিকে। গত ১৭ বছরের বিশৃঙ্খলা, অস্থিরতা ও রাজনৈতিক প্রভাবের বলয় থেকে মুক্তি এনে এই পদক্ষেপ হতে পারে জাতির নতুন দিকনির্দেশনা।
ড. ইউনুসের এই বোল্ড পদক্ষেপ প্রমাণ করে, তিনি শুধু একজন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ নন-তিনি একজন বাস্তববাদী রাষ্ট্রনায়ক, যিনি জানেন কোন সময় কোন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ আবারও ন্যায়ের পথে ফিরবে, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন ফিরে পাবে, আর সেনাবাহিনী আবারও হয়ে উঠবে দেশের প্রকৃত গর্ব।
দেশ বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিরাও এখন এই পরিবর্তনের স্বপ্নে একতাবদ্ধ। তাঁদের কণ্ঠে একটাই স্লোগান-
“স্যার, আপনি আগান, দেশের সচেতন মানুষ আপনার সাথেই আছে। ইনশাল্লাহ, পরিবর্তন আসবেই!”
