প্রচারণা নিয়ে একটি ‘ফরেনসিক রিভিউ’ করবে অস্ট্রেলিয়া

স্পোর্টস ডেস্কঃ চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অস্ট্রেলিয়ার জন্য হয়ে উঠেছে কঠিন আত্মসমালোচনার আয়না। ২০২১ সালের চ্যাম্পিয়ন দল এবার গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে আয়োজিত এই আসরে শ্রীলঙ্কা এবং তুলনামূলক দুর্বল জিম্বাবুয়ের কাছে হেরেছে তারা। ফলে ২০০৯ সালের পর এই প্রথম তারা গ্রুপ পর্ব পেরোতে ব্যর্থ হলো।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুরো প্রচারণা নিয়ে একটি ‘ফরেনসিক রিভিউ’ করা হবে। অর্থাৎ আবেগ সরিয়ে রেখে খুঁটিনাটি বিশ্লেষণ। দল দেশে ফেরার পর পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা হবে। নির্বাচক টনি ডোডেমাইড বলেছেন, টুর্নামেন্ট যেভাবে গড়িয়েছে তা ভীষণ হতাশাজনক। তবে শেষ ম্যাচটি শক্তভাবে শেষ করাই এখন প্রথম লক্ষ্য। আজ ওমানের বিপক্ষে ভালোভাবে শেষ করে তারপর সময় নিয়ে বিশ্লেষণে বসবে বোর্ড। এই ব্যর্থতার পেছনে ছিল চোটের ধাক্কা। প্রথম সারির পেস আক্রমণ ছাড়া খেলতে হয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে।

প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজলউড চোটের কারণে টুর্নামেন্টে খেলেননি। মিচেল স্টার্ক এই সংস্করণ থেকে আন্তর্জাতিক অবসর ঘোষণা করেছেন। ফলে অভিজ্ঞ গতির ত্রয়ী অনুপস্থিত ছিল। টুর্নামেন্ট চলাকালেই চোটে ছিটকে যান অধিনায়ক মিচেল মার্শ। দলের ভারসাম্য নড়ে যায়। অবাক করা সিদ্ধান্ত ছিল স্টিভেন স্মিথকে দলে না রাখা। ভালো ফর্মে থাকলেও তাকে প্রথমে বাছাই করা হয়নি।

হ্যাজলউড জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচের কয়েক ঘণ্টা আগে আনুষ্ঠানিকভাবে ছিটকে গেলে স্মিথকে কভার হিসেবে আনা হয়। কিন্তু ততক্ষণে দল বড় ধাক্কা খেয়ে বসেছে। অস্ট্রেলিয়া ২০২৮ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক। নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে তারা সেই আসর আয়োজন করবে। তাই সামনে ঘরের মাঠে বড় লক্ষ্য। ডোডেমাইড স্পষ্ট বলেছেন, তারা প্রতিটি বিশ্বকাপ জিততে চায়। বিশেষ করে ঘরের মাঠে ভালো করতে চায়। তবে তার আগে আছে ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ। সব পরিকল্পনা সময় নিয়ে সাজানো হবে। আবেগ কাটিয়ে বাস্তব বিশ্লেষণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *