ট্রান্সফারেবল মনে হলে খালেদা জিয়াকে দেশের বাইরে নেওয়া হবে

বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, আজকেও ওনাকে দেখার জন্য বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা আসবেন এবং দেখবেন। দেখার পরে ওনাকে যদি ট্রান্সফারেবল মনে হয়, ট্রান্সফার করার প্রয়োজন পড়ে তখন তাকে চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া হবে।

 

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এভার কেয়ার হাসপাতালের ফটকের সামনে বেগম খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলন তিনি এ কথা বলেন।

 

ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, আমাদের সব প্রস্তুতি আছে। কিন্তু সর্বোচ্চটা মনে রাখতে হবে যে, রোগীর বর্তমান অবস্থা এবং সর্বোপরি মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শের বাইরে কোনো কিছু করার সুযোগ এই মুহূর্তে আমাদের নেই।

 

তিনি বলেন, চিকিৎসকরা যে চিকিৎসা দিচ্ছেন, বেগম খালেদা জিয়া সে চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারছেন। বিভিন্নজন বিভিন্নভাবে গুজব ছড়াচ্ছে, সেই গুজবে কেউ কান দেবেন না। তারেক রহমান সার্বক্ষণিকভাবে চিকিৎসার সার্বিক খোঁজ খবর নিচ্ছেন। এছাড়া প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরাসহ সবাই সার্বক্ষণিক বেগম খালেদা জিয়ার খোঁজ খবর রাখছেন।

 

তিনি আরো বলেন, দেশবাসীর কাছে ওনার সুস্থতা কামনা করে দোয়া চাই। সবার দোয়ায় এ যাত্রায় বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আমরা আশা করি। কোনোরকম গুজবে কান না দেওয়ার জন্য বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে, দলের পক্ষ থেকে বিনীত অনুরোধ জানাই।

 

ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে ডাক্তাররা যে চিকিৎসা দিচ্ছেন সেই চিকিৎসা তিনি গ্রহণ করতে পারছেন অথবা আমরা যদি বলি মেনটেইন করা, আজ বিভিন্ন ধরনের গুজব বিভিন্ন ধরনের বক্তব্য বিভিন্ন জায়গায় দেখার পরিপ্রেক্ষিতে দলের পক্ষ থেকে আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সার্বক্ষণিকভাবে ওনার চিকিৎসার তদারকি করছেন। চিকিৎসার সব বিষয়ে তিনি দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সঙ্গে আমাদের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখছেন।

 

কাজেই কোনো ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার জন্য আপনাদেরকে অনুরোধ করছি এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য সুস্থতার জন্য আপনাদের মাধ্যমে দেশ তথা সব ধর্মের মানুষের প্রতি আমরা উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *