সীমান্ত শাহী দিনাজপুর থেকে :
উত্তরের শষ্যভান্ডার দিনাজপুরে পতিত-অনাবাদি জমিতে ৯৮ জাতের ব্রি ধান চাষ করে সফল কৃষক। প্রথম বারের মতো এ জাতের ধান চাষে ভালো ফলনে খুশি তারা। আগামিতে ব্রি-৯৮ জাতের ধান চাষের পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি বীজ সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার আশাবাদি কৃষিবিদরা।
মাঠজুড়ে দুলছে সোনালী ধান। ধান-কাটা-মাড়াই নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষক। পাকা ধান বৃষ্টিতে ঝরে যাওয়ার আগেই কৃষক তুলছেন ঘরে।
এ দৃশ্য দিনাজপুরের সদর উপজেলার কর্নাই গ্রামের। এ ধান জঁএখন শুধু কৃষকের নয়,পুরো অঞ্চলের আশার প্রতীক। ব্রি ৯৮ জাতের এই আউশ ধান চাষে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছেন কৃষক।

কৃষি সেক্টরে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে দিয়েছে ব্রি ধান ৯৮। সমবায় ভিত্তিতে ব্রি ধান-৯৮ জাতের আউশ চাষ করে বাম্পার ফলনে কৃষকেরা উজ্জীবিত। মুখে ফুটেছে বিজয়ের হাসি। মাত্র ১১০ দিনের মধ্যেই ফসল ঘরে তুলেছেন। একর প্রতি জমি থেকে তারা ৮৫ থেকে ৯০ মণ ধান পাচ্ছেন। ধান কেটে নেয়ার পর একই জমিতে আগাম জাতের আলু চাষের প্রস্তুতিও চলছে। শুধু তাই নয়, গো-খাদ্যের সংকটময় সময়ে ধানের খড়ও কৃষকদের বাড়তি আয়ের উৎস হয়েছে। এমনটা জানালেন এই ব্রি ৯৮ জাতের ধান রোপনের উদ্যোক্তা।

(মো.আরিফুর রহমান,উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা,চেহেলগাজী ইউনিয়ন,সদর,দিনাজপুর )
এ জাতের ধান চাষে সহযোগিতা ও পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ। ধানের বীজতলা-চাষাবাদ থেকে শুরু করে বীজ,সার ও কীটনাশক কৃষি বিভাগ প্রণোদনা দিয়েছে।

( :আব্দুল্লাহ আল মাসুম তুষার,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, সদর,দিনাজপুর)।
এ বছর দিনাজপুর সদর উপজেলাতে ৬৭০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে ব্রি -৯৮ জাতের আউশ ধান। আগামিতে এ ধানের বীজ দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার আশাবাদি সংশ্লিষ্ট কৃষিবিদরা।
