আনাগোনা কম ক্রেতার, স্বস্তি সবজির বাজারে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা ছুটির প্রভাব পড়েছে রাজধানীর কাঁচাবাজারে। জোগান ভালো থাকলেও বাজারে ক্রেতার আনাগোনা বেশ কম; যার সুস্পষ্ট প্রভাব পড়েছে সবজির দোকানে।

লেবু ছাড়া বাকি পণ্যের দামে খুব বেশি হেরফের নেই। মানভেদে প্রতি হালি লেবুর দাম হাঁকা হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা। মালিবাগ রেলগেট কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ী লিটন মিয়া জানান, এখন দোকানে যা আছে সব ঈদের আগে কেনা। নতুন করে পণ্য আনেননি তিনি। অনেক সবজি কেনা দামের চেয়েও কমে বিক্রি করছেন বলে জানান তিনি। এর মধ্যে সালাদ সামগ্রী, শসা ও টমেটো লসে বিক্রি করছেন তারা। শসা কেনা ৬০ টাকা, বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে। টমেটো মিলছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। ১২০ টাকার নিচেই মিলছে এক কেজি কাঁচামরিচ। আর গাজরের জন্য দিতে হচ্ছে ৫০ টাকা। রমজান মাসজুড়ে শতকের ঘর ছাড়িয়ে যাওয়া পটল, করলা, বরবটিসহ বেশির ভাগ সবজির দাম নেমে এসেছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়।

পেঁয়াজের খুচরা বাজারে বড় ধরনের দাম কমেছে। এই বাজারের ক্রেতা তৌহিদ বলেন, ‘রমজানের শুরুতে ৩ কেজি পেঁয়াজ ২০০ টাকায় কিনেছিলাম, আজ ১২০ টাকায় কিনলাম।’ খুচরা বিক্রেতারা জানান, ৬০-৭০ টাকার পেঁয়াজ এখন ৩৫-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আলুর দামও কেজিপ্রতি ২০-২৫ টাকা থেকে কমে ১৫-২০ টাকায় নেমেছে।

তবে, আমদানি করা এক কেজি রসুন কিনতে দিতে হচ্ছে ২২০ টাকা। আর ১৮০ টাকা কেজিতে অপরিবর্তিত আছে আদা।অন্যান্য সবজির মধ্যে গাজর বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। গত সপ্তাহেও গাজরের দাম ছিল ৮০ টাকা কেজি। শাকের দামও তুলনামূলক কম, পাওয়া যাচ্ছে ২০ টাকা আঁটিতে।

এ ছাড়া নতুন সবজির মধ্যে সজিনা পাওয়া যাচ্ছে ১২০ টাকায় আর কচুর লতি ১০০ টাকায়। ঢেঁড়স ৮০ টাকা ও পটল বিক্রি হচ্ছে ৫০-৭০ টাকায়। মিষ্টি কুমড়া প্রতি কেজি ৪০ টাকার মধ্যে বিক্রি করতে দেখা গেছে। কাঁচকলা ১০০ টাকা হালি।

দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ধুন্দুল ও ঝিঙের, পাওয়া যাচ্ছে ৮০ টাকায়। সবজি হিসেবে সবচেয়ে সস্তায় মিলছে কাঁচা পেঁপে, ২৫ টাকা কেজি। এ ছাড়া চালকুমড়া ৬০ টাকা পিস, লাউ ৫০ টাকা পিস দরে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি সাইজের বাঁধাকপি ও ফুলকপি ৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *