ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৯৫ টাকা, দেশে কমলো স্বর্ণের দাম
স্বর্ণের দাম কখনও ঊর্ধ্বমুখী আবার কখনও নিম্নমুখী হচ্ছে। কখনও সকালে এক দাম আবার বিকেলে আরেক দাম। দেশের বাজারে এবার কমেছে স্বর্ণের দাম। ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১১ হাজার ৯৫ টাকা নির্ধারণ করেছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ বুধবার থেকে কার্যকর হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ১১ হাজার ৯৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১ হাজার ৪৯৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭২ হাজার ৭০৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
গত মঙ্গলবার থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা কমেছে। আগের সেশনে ছয় সপ্তাহের সর্বোচ্চ ছোঁয়ার পর মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ফলন বৃদ্ধি ও মুনাফা গ্রহণের কারণে মূল্যবান ধাতুটির ওপর চাপ দেখা গেছে। এদিকে বিনিয়োগকারীরা এখন অপেক্ষায় রয়েছেন সপ্তাহজুড়ে প্রকাশিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক তথ্যের, যা ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার নীতি সম্পর্কে দিকনির্দেশ দিতে পারে।
মঙ্গলবার স্পট গোল্ডের দাম ০.৩ শতাংশ কমে আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ২১৮.৭১ ডলারে নেমেছে। ডিসেম্বর ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচারও ০.৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ২৫০.৭০ ডলার। উল্লেখ্য, স্বর্ণের দাম স্থির না হওয়ার কারণ অনেকগুলো। সাধারণত যেকোনো দেশে ঝুঁকি এড়াতে সোনা মজুত করে সরকার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোতে সেই পরিমাণ বেড়ে গেলে সোনার মূল্য বৃদ্ধি পায়। অনেক সময় কোনো দেশের মুদ্রার ব্যাপক অবমূল্যায়ন ঘটে। সেক্ষেত্রে নিজেদের সম্পদ রক্ষার্থে সোনা বিনিয়োগ করেন ব্যবসায়ীরা। ফলে তাদের কাছে ধাতুটির আকর্ষণ বাড়ে। সেই সঙ্গে দামও ঊর্ধ্বমুখী হয়। আবার ডলারের দাম বাড়লে সোনার দর হ্রাস পায়।

